December 5, 2020, 8:02 am

এবারও পশুর চমড়া নিয়ে চালবাজি

অনলাইন ডেস্কঃ কুমিল্লায় পশুর চামড়ার তেমন দাম পাওয়া যায়নি। এতে হতাশ ক্রেতারা। ক্রেতা না পেয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দান করা হয় চামড়া। এতিমখানা কর্তৃপক্ষও তেমন দাম পায়নি। কুরবানির ঈদের দিন বিকেলের পর থেকে এমন চিত্রই দেখা গেছে কুমিল্লা জেলা জুড়ে।

কুরবানির জন্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যর গরু কিনেন আবদুস রহিম। তার প্রতিবেশী ইউসুফ মিয়া কিনলেন ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে। কুরবানি শেষে গরুর চামড়া দিয়ে দিলেন স্থানীয় মাদ্রাসায়।  আবদুস সামাদ ও ইয়াকুব আলী জানান, গত বছরের মত এ বছর  তাদের পশুর চামড়া গোমতী নদীতে ফেলে দিতে হয়নি। ক্রেতা না পেলেও স্থানীয় মাদ্রাসায় দান করলেন। পরে সেখান থেকে ক্রেতারা চামড়া কিনে নিয়ে যায়।

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মামীশ্বর হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম শাহীন জানান, তারা ৬৫টি চামড়া পেয়েছেন। প্রতিটি চামড়া গড়ে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি করেন। ছাগলের চামড়া আটটি পেয়েছিলেন। কেউ ফ্রিও নিতে চায় না। তাই মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

কুমিল্লা ঋষিপট্টির চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রতন ঋষি জানান, সিন্ডিকেটের কারণে গত বছর চামড়ার দরপতন হয়। চামড়া কিনে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। তবে এ বছর সিন্ডিকেট না থাকলেও চামড়ার বৈদেশিক চাহিদা কম রয়েছে। তাই চামড়ার দর কম।

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম বলেন,চামড়া সংরক্ষণে ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বিক্রিতে সমস্যা হলে সঠিক নিয়মে সংরক্ষণের জন্য বলা হয়েছে।

বরুড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা জানান, নামমাত্র ১০০/২০০টাকায় চামড়া বিক্রি করেছেন। গতবছর চামড়া ব্যবসায়ীরা লোকসানের কারণে এবছর অনেকেই এ ব্যবসা করছেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ