
বিজনেস ফাইল প্রতিবেদক
এফবিসিসিআই নির্বাচন অধিক গ্রহণযোগ্য এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করতে সময় পিছিয়ে অর্থাৎ দেড়-দু’মাস পরে হতে পারে বলে আভাস মিলেছে। প্রায় দু যুগ পরে সভাপতিসহ ঊর্ধ্বতন পদ গুলোতে সরাসরি নির্বাচনকে খুবই ইতিবাচক ভাবে দেখছেন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এফবিসিসিআই নির্বাচন ২০২৫-২০২৭ ইং ঘোষিত সিডিউল অনুযায়ী ডিবিসি (এবারই প্রথম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে) সহ কিছু জরুরী বিষয় বর্তমানে বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে (২ জুলাই -২০২৫) সম্পন্ন করা অধিকাংশ এসোশিয়েশন এবং চেম্বারের পক্ষে সম্ভব নয় এমনটিই বলছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
এখন পর্যন্ত চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের ৩০% সংগঠনও তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি।
যেহেতু এবার সরাসরি নির্বাচন হবে তাই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে অধিকাংশ জিবি সদস্যের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে বর্তমান সভাপতি প্রার্থীরা সরকারের উচ্চ মহলে বিষয়টি জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সভাপতি প্রার্থী বলেন দৈনিক বিজনেস ফাইল কে বলেন নির্বাচনে জীবী সদস্যদের (পার্টিসিপেশন) অংশগ্রহণ বাড়াতে এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি ও সিনিয়র নেতারা মাহবুবুর রহমান, মীর নাসির হোসেন, আবুল কালাম আজাদও এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন। একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রটি বলছে জাতীয় নির্বাচনের আগে অংশগ্রহণমূলক জমজমাট
এফবিসিসিআই নির্বাচন দিয়ে সরকারও জনমনে সংস্কার বিষয়ে একটি ইতিবাচক ধারনা (পজিটিভ কনসেপ্ট গ্রো) করতে চান। এ নির্বাচনে একটা বিশাল আস্থা তৈরি করতে পারলে জাতীয় নির্বাচনে এর ভালো প্রভাব পড়বে যেটার ক্রেডিট পুরোপুরি আসবে বর্তমান সরকারের ঘরে।
সূত্রটি আরো জানায় কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারের সর্বোচ্চ মহল এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। বর্তমানে সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টির ভালোমন্দ বা জনমত অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন । দেশের প্রধান ব্যবসায়ী পার্লামেন্ট খ্যাত এফবিসিসিআইতে এক্ষেত্রে প্রশাসকের মেয়াদ বৃদ্ধিসহ নির্বাচন দেড় থেকে দু’মাস পেছাতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এদিকে আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন এমন প্রায় সব প্যানেল থেকে ডিবিসি বিষয় সমাধানের লক্ষ্যে সময় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনার জন্য বার বার নির্বাচন বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়েছে। সভাপতিসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে সরাসরি নির্বাচন দেয়ায় বর্তমান অন্তর্বতীকালীন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন একাধিক ব্যবসায়ী নেতা। এবারের আসন্ন নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্যানেল নির্বাচনে অংশ নেবে বলে জিবি সদস্যদের অভিমত।
বর্তমান সিডিউলে নির্বাচন আগামী ৭ সেপ্টেম্বর। নির্বাচন বোর্ড চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক
আপনার মতামত লিখুন :