কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের জয়কা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বালিয়াবাড়ী বাজারের চারটি দোকানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।জয়কা ইউনিয়ন কুকিমাদল গ্রামের নজরুল ইসলাম ও মোকারম হোসেন নামে দুই ব্যক্তি মধ্যে বাজারের ২৯ শতাংশ জায়গার মালিকানা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল।জায়গাটি এতদিন নজরুল ইসলাম দখলে রেখে দোকান তৈরি করেছিলেন।এ নিয়ে মামলা করলে সম্প্রতি তার পক্ষে আদালত রায় দেন এবং নজরুল ইসলামকে উচ্ছেদের আদেশ দেন।উচ্ছেদের আদেশ তামিল করতেই যৌথ বাহিনীর সহায়তা নিয়ে করিমগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবির ও আদালতের লোকজন বালিয়াবাড়ী বাজারে গিয়েছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিটের সহায়তায় এটি নিয়ন্ত্রণ আনা হয়।এ সময় সুলতান নামে একজন আহত হয়ে ঢাকা বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।সোমবার, (২৪ নভেম্বর) দুপুরে জয়কা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বালিয়াবাড়ী বাজারে দোকানে এ ঘটনা ঘটে।পরে দুপুরের ১ টা ৩৫ মিনিটে এটি নিয়ন্ত্রণে আসে।ফায়ার সার্ভিসের করিমগঞ্জ উপজেলা জোনের কমান্ডার সুশান্ত কুমার দে মন্ডল বলেন,আমরা দুপুর ১২ টায় খবর পাই।পরে আমরা এসে ১২ টা ২৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আনি এবং ১টা ৩৫ মিনিটে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে।কোনো সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি।দোকানের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন,আমরা সকাল ১০ টায় আগুনের খবর শুনি বিবাদী পক্ষ মোকারমের লোকজন পুড়িয়ে দিল।পরে ফায়ার সার্ভিসে যোগাযোগ করি।চারটি দোকানের আনুমানিক ৭০ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে শেষ।দখল পাওয়া মোকারম সাংবাদিকদের জানান,এসকেভেটর ব্যবহারের আগে দখলদার নজরুল ইসলামকে বলা হয়েছিল তার দোকানের মালামাল সরিয়ে নিতে।কিন্তুু মালামাল ভেতরে রেখেই নজরুলের ভাই সুলতান গ্যাস সিলিন্ডার থেকে দোকানে আগুন ধরিয়ে দেন।করিমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন কবির বলেন,কে বা কাহারা এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে তা বলা যাচ্ছে না।বুধবার,(২৬ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় করিমগঞ্জ থানার ওসি সাদেক আল মামুন বলেন,অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কেউ মামলা করেনি।ধারণা করা হচ্ছে নজরুল ইসলামের লোকজন নিজেরাই অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :