
একাত্তর নিউজ ডেস্ক:
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে নারী সমাবেশে হামলার বিচার ও ঘটনার দলীয় তদন্তপূর্বক শাস্তির দাবিতে শুক্রবার (২১ নভেম্বর/২৫) পৌর শহরের ধানমহাল কৃষ্ণচূড়া চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। তাদের হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে নারীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনুরূপ কর্মসূচী পালিত হয়েছে উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের নাপ্তের আলগী বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
পৌর শহরের ধানমহাল ঘটনা তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নারী নেত্রী তৌহিদা জান্নাত লোটাস, সমলা আক্তার, পপি আক্তার, হামলায় আহত সুফিয়া আক্তার, মিনা বেগম, মমতা বেগম, রিনা আক্তার, লিপি বেগম, মাজেদা খাতুন, সাহেরা খাতুন, রিতা আক্তার, মানসুরা আক্তার প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৯ নভেম্বর গৌরীপুর পৌর শহরে নারী সমাবেশ আয়োজন করা হয়। একই দিনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইনের পক্ষে আরেক সমাবেশ আয়োজন করা হয় এখান থেকে ১ কিলোমিটার দূরে গৌরীপুর সরকারি কলেজে হোস্টেল মাঠে। ওই সমাবেশের শেষ পর্যায়ে আমাদের নারী সমাবেশে হামলা করে মঞ্চ ভাঙচুর ও নারীদের আহত করা হয়। ওই ঘটনার জের ধরে ময়মনসিংহ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ সহ ২৪ নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
ভাংনামারীতে বক্তব্য রাখেন গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইদ্রিস আলী, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুঈদ আহমেদ মিতু,ওয়ায়েস আক ক্বরনি রিয়াদ, ভাংনামারী ইউনিয়ন শ্রমিক দলেট আহ্বায়ক জুয়েল মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক রশিদ মিয়া, যুবদল নেতা আতিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মনসরুল আমিন হেলাল, আব্দুল হামিদ খোকন, মেহেদি হাসান লিটন, রতন সরকার প্রমুখ।
আপনার মতামত লিখুন :