Agaminews
Dr. Neem Hakim

জনগণের ভোটাধিকার গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি: হাজী ফজলুল হক মাতাব্বর


admin প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৭, ২০২৫, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন /
জনগণের ভোটাধিকার গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি: হাজী ফজলুল হক মাতাব্বর

স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা মহানগরীর খিলখেত থানার আহবায়ক হাজী এস এম ফজলুল হক মাতাব্বর বলেছেন, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর শেখ হাসিনা লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছিল। অর্থ পাচার, গুম, হত্যা, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা-হামলা দিয়ে দেশটাকে শ্মশানে পরিণত করেছিল।
ফজলুল হক মাতাব্বর গতকাল খিলক্ষেত দলীয় কার্যালয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
রাজপথ কাঁপানো নেতা ফজলু মাতাব্বরের বিরুদ্ধে বিগত সরকার প্রায় ৬০ টি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। একাধিকবার কারাবরণ করেছেন, দেশ থেকে পালিয়ে জীবন রক্ষা করেছেন। ফজলু মাতাব্বর এলাকার স্থানীয় ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাস করেন।
তিনি বলেন, আমাদের নেতার তারেক রহমানের স্বপ্ন সন্ত্রাস মুক্ত চাঁদাবাজ মুক্ত মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলা হবে।
আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নই আমাদের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক সার্থকতা। তিনি বলেন ক্ষীলখেত এলাকায় আমরা সন্ত্রাসমুক্ত ও চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ গড়ার জন্য বদ্ধপরিকর।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঢাকা ১৮ (উত্তরা) নির্বাচনী এলাকা তিনি প্রার্থী কিনা জানতে চাইলে বলেন, আমি সংসদ সদস্য প্রার্থী না তবে অনেক প্রার্থী মনোনয়ন চাবে। এটা চাইতে পারেন এটা গণতান্ত্রিক অধিকার তবে দল একজনকে মনোনয়ন দিবে। দল যাকে বিবেচনা করবে আমরা তার জন্য একযোগো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব, তিনি বলেন আপনাদের মনে রাখতে হবে বিএনপি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল। একাধিক প্রার্থী হওয়া স্বাভাবিক। এতে কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকলে দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও দৃঢ় হয়। বিএনপি’র জনপ্রিয়তা সম্পর্কে তিনি বলেন দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির এমন কোন নেতাকর্মী নাই যে হামলা মামলার শিকার হয় নাই তারপরেও তারা দল ছাড়ে নাই। আওয়ামী লীগে যোগদান করে নাই, প্রতিটা কর্মী জনগণের পাশে ছিল, আছে, থাকবে।
ফজলুল হক রাজনৈতিক দলের দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার সেবা করে থাকেন। তার বাবা মরহুম আব্দুল মালেক মাতাব্বর ক্ষীলখেত এলাকার অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থান ও রাস্তাঘাট ব্যক্তিগতভাবে নির্মাণ করে গেছেন।
তার সুযোগ্য সন্তান বাবার পথ অনুসরণ করে ফজলু মাতাব্বর সেই সব প্রতিষ্ঠানগুলো দেখাশোনা করছেন। ফজলু মাতব্বর একজন শিক্ষানুরাগী সেই বিবেচনায় কুর্মিটোলা স্কুল এন্ড কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
কুর্মিটোলা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার মান সম্পর্কে বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গোটা দেশেই শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে রেখে গেছে। কুর্মিটোলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও সেইভাবে শেষ করে গেছে। পারলে তো তারা ইট খুলে নিত। আমরা নতুন করে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করে যাচ্ছি।
তারেক রহমান সম্পর্কে ফজলু মাতাব্বর বলেন, আমাদের নেতা আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব শীঘ্রই দেশে ফিরবেন ইনশাল্লাহ। আমাদের আপোষহীন নেত্রী গণতন্ত্রের প্রবক্তা বেগম খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বেগম জিয়ার স্বপ্ন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। জনগণের সরকার, অর্থনৈতিক মুক্তি ও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।