
পলাশ দাস, স্টাফ রিপোর্টার
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ঢাকা-২ আসনের সীমানা পুননির্ধারণের দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গোলাম রসুল শামীম। আরো উপস্থিত ছিলেন – এস এম সায়েম, সিরাজুল ইসলাম, শহিদুল হক, মো: রফিকুল ইসলাম রনি সহ আরো প্রায় ৩০০- ৪০০ কামরাঙ্গীরচর বাসী।
তারা বলেন – কামরাঙ্গীরচর থানার ৫৫, ৫৬, ও ৫৭ নং ওয়ার্ডে জনসংখ্যা ২০ লক্ষাধিক এবং ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ। দীর্ঘদিন ধরে কামরাঙ্গীরচর ছিল ঢাকা-২ আসনের অংশ। এই ধারাবাহিকতায় এলাকাটি পেয়েছে কাঙ্খিত উন্নয়ন ও অগ্রগতি। আধুনিক শহর রূপান্তর, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষার প্রসার, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, সংস্কৃতির ঐতিহ্য বিকাশ, আমাদের কামরাঙ্গীরচর একই থানাধীন ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নং ওয়ার্ড কেরানীগঞ্জের বসিলা ব্রীজ এবং বাবুবাজার ব্রিজ হওয়ার কারণে কামরাঙ্গীর চরের সাথে কেরানীগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। সিটি কর্পোরেশন এবং ইউনিয়ন পরিষদ হওয়ার কারণে কোন প্রকার আইনি জটিলতা নাই বলে আমরা মনে করি। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত সংসদীয় আসন সমূহ : খুলনা-৩, গাজীপুর -৫, কুমিল্লা -৬, চট্টগ্রাম -৮,৯ ও ১১ ইত্যাদি আসন সমূহ সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ একত্রে আছে। কিন্তু হঠাৎ করেই নির্বাচন কমিশনারের নতুন সিদ্ধান্তে : ৫৫ নং ওয়ার্ড যুক্ত করা হয়েছে ঢাকা -১০ আসনে, ৫৬, ৫৭ নং ওয়ার্ড চলে গেছে ঢাকা -৭ আসনে। এই বিভাজন কোনভাবেই কাম্য নয়। কারণ ঐতিহাসিক সংহতির বিপর্যয়, উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতার বিঘ্ন, জনগণের মতামতের প্রতি অশ্রদ্ধা, সামাজিক ও প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই আমরা একতাবদ্ধভাবে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার দাবিতে কামরাঙ্গীরচরবাসী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা কামরাঙ্গীরচরবাসী চাই ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নং ওয়ার্ড একত্রে আগের মত ঢাকা – ২ আসনের অন্তর্ভুক্ত থাকুক। আমাদের কামরাঙ্গীরচরের সকলের প্রাণের দাবি নির্বাচন কমিশন এই অযৌক্তিক বিভাজন বাতিল করে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাক। আর যদি আমাদের এই প্রাণের দাবিকে মূল্যায়ন করা না হয় তাহলে আমরা কঠোর থেকে কঠোরতম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য থাকিব । কাজেই যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের প্রাণের আকুতি আমাদের সকল সমস্যার সমাধান করে সুন্দর ভাবে আগের মত জীবন যাপন করার সুযোগ করে দেয়া হোক।
আপনার মতামত লিখুন :