
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা, সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনার পর গোপালগঞ্জে কারফিউ চলছে। বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮টা থেকে কারফিউ শুরু হয়; বলবৎ থাকবে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। কারফিউয়ের মধ্যে যৌথবাহিনীর অভিযানে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এই বার্তায় বলা হয়, ‘গোপালগঞ্জে বুধবার রাত ৮টা হতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে গোপালগঞ্জ থেকে মাদারীপুর যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন এনসিপির নেতাকর্মীরা। এ অবস্থায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। তবে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলার মুখে পড়েন তারা। পরে পরিস্থিতি নিয়স্ত্রণে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্যও যোগ দেন।
হামলার মুখে এনসিপি নেতারা গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। পাশাপাশি তারা দেশবাসীকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে গোপালগঞ্জে রওনা দেওয়ার আহ্বান জানান। এরপর সেনাবাহিনীর সহায়তায় গোপালগঞ্জ ত্যাগ করেন এনসিপি নেতারা। ওই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪৪ ধারা জারি করেছিল গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন। পরে রাত থেকে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারির তথ্য জানানো হয়।
গোপালগঞ্জে যৌথ অভিযানে ২০ জন আটক
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা ও সংঘর্ষের পর চলমান কারফিউয়ের মধ্যে যৌথবাহিনীর অভিযানে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে আটককৃতদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ। গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ড. রুহুল আমিন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত সেনাবাহিনী আটক করেছে ১৫ জন। পুলিশ আটক করেছে ৫ জন। এ নিয়ে মোট ২০ জন আটক আছে। সবাইকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান।
আপনার মতামত লিখুন :