
কদিন আগের ঘটনা। রাত তখন প্রায় ৯টা। চকবাজারের ডালপট্টি পেরিয়ে ইসলামপুরের দিকে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে “ট্রফি ভাই!” বলে ডাক শুনে থমকে দাঁড়ালাম। ফিরে দেখি আমার পুরোনো বন্ধু! দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরলো আমাকে। কুশল বিনিময়ের পর বন্ধু বললো, “চলুন, কোনো রেস্টুরেন্টে বসি, অনেক কথা আছে।” আমি আর দ্বিমত না করে সরাসরি ওর সঙ্গে একটা রেস্টুরেন্টে চলে গেলাম।
কথার শুরুতেই বন্ধু জানতে চাইল, “মোহাম্মদ আলী ভাই কেমন আছেন?” আমি জানালাম, তিনি ভালোই আছেন। এরপরই বন্ধু যে খবরটা দিল, তা শুনে আমি নিজেও বেশ উচ্ছ্বসিত হলাম। সে জানালো, আগামী ২৩শে জুলাই সন্ধ্যায় লালবাগের সাগুন কমিউনিটি সেন্টারে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসছেন মোহাম্মদ আলী ভাই। এই খবরটা যেন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী মহলে এক নতুন আনন্দ আর উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে।

আমার বন্ধু জানালো, এই অনুষ্ঠান থেকেই নাকি মোহাম্মদ আলী ভাই FBCCI-এর সভাপতি পদে তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণা করবেন। এই ঘোষণার অপেক্ষায় পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা যেন অধীর আগ্রহে আছেন। তাদের দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে! বন্ধুটি জোর দিয়ে বললো, “মোহাম্মদ আলী ভাই পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের জন্য কত কি না করেছেন!” তার কথায় সেই কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার সুর স্পষ্ট ছিল।

পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছে মোহাম্মদ আলী ভাই শুধু একজন নেতা নন, তিনি যেন এক নির্ভরতার প্রতীক। তাদের সুখ-দুঃখের সাথি, তাদের দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। যখনই কোনো সমস্যা বা সংকট এসেছে, মোহাম্মদ আলী ভাই দাঁড়িয়েছেন তাদের পাশে। তার এই নতুন যাত্রার ঘোষণা তাই শুধু একটি নির্বাচনী বার্তা নয়, এটি পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী সমাজের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইঙ্গিত।
এই বসন্ত বরণ উৎসব যেন শুধু ঋতু পরিবর্তনের উৎসব নয়, এটি পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের জীবনে এক নতুন আশার বসন্তের আগমনি বার্তা। মোহাম্মদ আলী ভাইয়ের নেতৃত্ব যদি FBCCI-তে আসে, তবে তা কেবল একটি পদবদল হবে না, বরং ব্যবসায়ী সমাজের সত্যিকারের কণ্ঠস্বর হিসেবে FBCCI আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে।
মোহাম্মদ আলী ভাই এর এই উদ্যোগ পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে উদ্দীপনা তৈরি করেছে, তা নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা। তাদের চোখে-মুখে যে উজ্জ্বলতা দেখছি, তা প্রমাণ করে মোহাম্মদ আলী ভাই এর প্রতি তাদের গভীর আস্থা ও বিশ্বাস। প্রত্যাশা – তার নেতৃত্বে FBCCI দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারবে এবং ব্যবসায়ীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হবে।
“২৩শে জুলাইয়ের সন্ধ্যা হোক
নতুন স্বপ্নের শুভ সূচনা,
মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে FBCCI-এর
বিনির্মাণ ও অগ্রগতির এক নতুন প্রেরণা।”
এই নতুন পথচলা শুধু পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীদের জন্য নয়, এটি সমগ্র বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সমাজের জন্য এক নতুন ভোরের বার্তা বয়ে আসবে – পরম করুণাময় মহান আল্লাহর অনুগ্রহে।
আপনার মতামত লিখুন :