
ওয়াহিদা শুভ্রা
যে যেভাবেই বলুক না কেন ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী একজন অত্যন্ত উঁচু মাপের মানুষ। তারমধ্যে অহংকার বোধ নেই। ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষে তিনি সব সময় কথা বলেছেন। তার হাত থেকে কারো কোন ক্ষতি হয়েছে এটা কেউ বলতে পারবে না।
এফবিসিসিআইয়ের অধিকাংশ এসোসিয়েশন এবং চেম্বার তার নক্ষদর্পনে।
তার মত ব্যক্তিত্বের অবশ্যই সভাপতি পদে আসা উচিত। বর্তমান বাস্তবতায় চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন সদস্যরা এফবিসিসিআই তাঁকেই সভাপতি চায়।
কথাগুলো বললেন ছাত্তার গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ সাত্তার খান।
সম্প্রতি সাগুন কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে পরিচালক পদপ্রার্থী এম এ সাত্তার খান কে পেয়ে অত্যন্ত খুশি হন। সাত্তার খানকে উপস্থিত সদস্যরা পরিচালক পদে দেখতে চান এমনটিই জানান এ প্রতিবেদক কে। পুরান ঢাকার ইতিহাস ঐতিহ্য ব্যবসা-বাণিজ্য কয়েকশো বছরের। এখানে দেশের বৃহত্তম ব্যবসা-বাণিজ্যের মোকাম। এখানকার মানুষের মনের জোর বেশি। এফবিসিসিআই নেতা মোহাম্মদ আলীর ব্যবসা শুরু হয়েছিল পুরান ঢাকা থেকে। একসময় তাকে পুরান ঢাকার মোহাম্মদ আলী বলে ডাকা হতো। তবে সিনিয়ররাও মোহাম্মদ আলীকে অনেক স্নেহ ও সম্মান জানাত যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। প্রায় ৪০ বছর ধরে ট্রেড পলিটিক্সে মোহাম্মদ আলী নাম্বার ওয়ান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
আসন্ন এফবিসিসিআই নির্বাচনে অনেক প্রার্থী সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু ব্যতিক্রম ছিলেন মোহাম্মদ আলী। তিনি শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানিয়েছিলেন আরো কিছু সিনিয়রদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে রাত্রি হবে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি লালবাগের সাগুন কমিউনিটি সেন্টারে জিবি সদস্যদের এক সমাবেশে গতকাল সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেন। ইতিপূর্বে তিনি নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে এক ব্যবসায়ী সমাবেশে বলেছিলেন ঢাকায় আরো দুটি প্রোগ্রাম করে সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দেবেন। খন্দকার সেন্টারে দুই সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তিনি গতকালের অনুষ্ঠানের কথার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত পুরান ঢাকার সকল স্তরের সিনিয়র জুনিয়র এবং সহকর্মীদের ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে তিনি সভাপতি পদে প্রার্থী হলেন। তিনি সকলের কাছে দোয়া চান এবং বলেন এফবিসিসিআই আপনাদের। এখানকার সবকিছুতে আপনাদের অধিকার রয়েছে। আমি সভাপতি নির্বাচিত হলে আপনাদের অতীতের মত যেকোনো গ্রহণযোগ্য সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেব। এসএমই উদ্যোক্তাদের সমস্যা,ভ্যাট, কম সুদে ব্যাংক ঋণ এগুলো অবশ্যই সমাধান হবে।
অনুষ্ঠানে কামাল উদ্দিন আহমেদ, মোঃ হেলাল উদ্দিন আব্দুল ওয়াহেদ, হাজী মোঃ আব্দুস সালাম, শফিকুল ইসলাম ভরসা সহ অন্তত ৪০ জন এফবিসিসিআই শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় ৭০০ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি উপস্থিত হন। আলাউদ্দিন মালিক, এম এ সাত্তার খান, কেফায়েতুল্লাহ টুইংকেলের সৌজন্যে এ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
অনেকেই এ অনুষ্ঠানের তারিফ করেন।
আপনার মতামত লিখুন :