
নিজস্ব সংবাদদাতা ,টাঙ্গাইল :
টাঙ্গাইলের মধুপুরে অবস্থিত এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ শাল গজারির বনের চুনিয়া কটেজে সাংবাদিকদের মিলন মেলা বসেছে। টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়ন, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি (নর্থ টাঙ্গাইল), প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সাংবাদিক ঐক্য ফেডারেশন টাঙ্গাইল এর ব্যানারে বনভোজন ও পরিচিতি অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে অপ-সাংবাদিকতা রোধে নানাবিধ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার(২৮ ডিসেম্বর) এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে এই শাল গজারির বনের চুনিয়া কটেজে বিভিন্ন মিডিয়ায় কর্মরত পেশাদার দুই শতাধিক সাংবাদিকদের সমাগম ঘটেছে। সবার উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে বনাঞ্চলের স্থানটি।

আলোচনা সভায় টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি দিনকাল পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শামছাদুল আখতার শামীমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ এনটিভি’র স্টাফ করসপডেন্ট আমার দেশ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সম্পাদক মহব্বত হোসেন, প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি যায়যায়দিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার কলামিস্ট জুবায়ের মল্লিক বুলবুল,সাধারণ সম্পাদক কালবেলা’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আবু জুবায়ের উজ্জল, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি (নর্থ টাঙ্গাইল)’র সভাপতি এশিয়ান টিভি’র মধুপুর প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহনা টিভি’র টাঙ্গাইল উত্তর প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনটিভি’র সাংবাদিক হাফিজুর রহমান, আর টিভি’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক কামাল হোসেন, নারী সাংবাদিক নাহার চাকলাদার ও মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সহ অন্যান্যরা বক্তব্য দেন।
বক্তারা, আগামী দিনে টাঙ্গাইল সহ সারাদেশে অপ-সাংবাদিকতা রোধ সহ সঠিক তথ্য তুলে ধরে দেশ ও জাতির সেবায় সচেষ্ট হয়ে সকল কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
আলোচনাসভা শেষে সাংবাদিকরা দলবেধে তারা ঘুরে ঘুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ কেউ দলবেধে বনভোজনের সীমানা পেরিয়ে চলে যান সবুজে ঘেরা বনের ভিতরে। ঘোরাঘুরির সঙ্গে চলতে থাকে সেলফি। সেইসঙ্গে নানা হস্যকর গল্প। অপেক্ষাকৃত বয়সীরা জড়ো হয়ে মেতে উঠেছেন খোশগল্পে। তাদের আড্ডায় পরিবারিক বিষয়ের সঙ্গে পেশাজীবনের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা উঠে আসছে। কেউ কেউ বয়সকে দূরে ঠেলে মেতে ওঠেছেন কৈশোরের দুরন্তপনায়। বনভোজনের স্থানের মূলমঞ্চে আয়োজন করা হয় স্থানীয় গারো আদিবাসী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উক্ত তিন সংগঠনের নেতারা ছুটে বেড়াচ্ছেন পিকনিক স্পটের সর্বত্র। বনভোজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে এবং বিভিন্ন ইভেন্ট আকর্ষণীয় করে তুলতেই তাদের এই ছোটাছুটি। দুপুরের খাবারের পর বনভোজনের নানা অনুষ্ঠানিকতার পরিসমাপ্তি ঘটে।
আপনার মতামত লিখুন :