
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জ সলঙ্গা রায়গঞ্জ উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তারের বিরূদ্ধে সলঙ্গা গাড়াদহ নদীর উপর সরকারী ব্রীজের নির্মাণ কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে কাজের ঠিকাদার ও নির্মাণ কাজের শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ঠিকাদার প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে ব্রীজের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে রেখেছেন। টেন্ডারের মাধ্যমে ব্রীজ নির্মাণ কাজটি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার মেসার্স রফিকুল এম এ ওয়াহিদ এন্টারপ্রাইজ পেলে তার কাছ থেকে উল্লাপাড়ার অধ্যাক্ষ সাইদুর রহমান কাজটি কিনে নেয় ইতি মধ্যে ব্রীজের প্রায় ৭৫ ভাগ নির্মাণ কাজ সম্পুর্ন হলেও বাকি কাজ বন্ধ রয়েছে, এই ভাবে ব্রিজের নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকলে বর্ষায় নদীতে পানি আসলে চলতি বছরে কাজ সম্পুর্ন করা সম্ভব হবে না বলে জানা যায়।
হঠাৎ ব্রিজের চলমান কাজ বন্ধ হলো কেন এলাকা বাসি বলেন এই ব্রিজটি সলঙ্গা বাসির জন্য খুবই জরুরি এখান দিয়ে প্রতিদিন বাজারে আসা মানুষ ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষের চলাচল তবে পাশে আরেকটি পুরনো ব্রীজ থাকলেও ব্রিজটি প্রস্থ কম হওয়ায় দুই পাশ থেকে সিএনজি অটোভ্যান ব্রিজে উঠলে ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যাম হয়ে জন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়,তাই পাশেই নির্মাণ করা হচ্ছে আর একটি ব্রিজ, রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার ব্রিজের কাজ বন্ধ করে রেখেছেন, কি কারনে তিনি চলমান কাজটি বন্ধ করেছেন তা আমাদের জানা নেই,তবে যে কারনই বন্ধ হোক,এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে দ্রুত ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলমান করার জন্য আহব্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে ঠিকাদার অধ্যাক্ষ সাইদুর রহমান বলেন, ব্রিজের পুর্ব পারে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তারের কিছু যায়গা সরকার একোয়ার করেছেন, তার সে যায়গার অর্থ সরকার পরিশোধ না করার কারনে ব্রিজের নির্মাণ কাজের শ্রমিকদের হুমকি ধামকির মারধরের মাধ্যমে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
সলঙ্গা গাড়াদহ নদীর ব্রীজের উন্নয়নের কাজে বাধা দেওয়ার কারন জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার বলেন, সরকার আমার জায়গায় ব্রীজ করছে চার বছর পার হয়ে গেল এখনও একোয়ারের টাকা পাইনি, আমি ডিসি অফিস ও জেলা ইন্জিনিয়ারের সাথে কথা বলেছি একাধিকবার টাকা না পাওয়ার কারনে আমি কাজ বন্ধ রাখতে বলেছি ঠিকাদারকে, একোয়ারের টাকা সরকার দেবে তাহলে ঠিকাদারের কাজ বন্ধ করলে কেন,তিনি বলেন ঠিকাদারকে বার বার বলেছি আমার টাকার বিষয়ে সাহায্য করতে এবং ইন্জিনিয়ারকে সাথে নিয়ে এখানে আসতে বলেছি, ঠিকাদার তা না করে কিছু মাস্তানদের নিয়ে আমার সাথে দেখা করেন, নির্মাণ শ্রমিকদের মারধর ঘটনা মিথ্যে তাদের সাথে ভাল আচরনের মাধ্যমে কাজ বন্ধ করেছি।
এ বিষয় জানতে জেলা এলজিআরডি নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন,এটা স্থানীয় সমস্যা,ঠিকাদার সাহেব আসছিলেন ওনার কাছে জানতে পারি রায়গঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাধা দিয়েছেন, ওখানে তার জায়গা আছে একোয়ারের মধ্যে, তবে সরকারের একটি দীর্ঘ ও সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয় তাই টাকা পেতে দেরি হচ্ছে,সরকার টাকা না দিলেতো আমরা টাকা দিতে পারবো না, কাল আমার ইন্জিনিয়ার ওখানে যাবে যদি চেয়ারম্যানের জায়গা হয় বাধা দিতে পার,তার জায়গা নাহলে তিনি কাজে বাধা দিতে পারেন না
আপনার মতামত লিখুন :